“প্রত্যেকটি শিশুর মধ্যেই অমিত প্রতিভা রয়েছে”
প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াসউদ্দিন মিয়া

গাজীপুর, ২৯শে জানুয়ারি ২০২০ঃ বাংলাদেশের কৃষি বনায়ন গবেষণার পথিকৃৎ , বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াসউদ্দিন মিয়া বলেছেন, ” প্রত্যেকটি শিশুর মধ্যেই অমিত প্রতিভা রয়েছে। কিন্তু সে প্রতিভা শিক্ষার মাধ্যমে বিকশিত হবে। প্রত্যেকের প্রতিভা বিকশিত করার দায়িত্ব শিক্ষক ও অভিভাবকদের। শিক্ষা হচ্ছে সূর্যের মতো। সূর্য যেমন পৃথিবীকে আলোকিত করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তেমনি তার এলাকাটি আলোকিত করে। আজকের যে শিশু তাকে যদি আমরা প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারি, সে একদিন পৃথিবীকে আলোকিত করবে। দিন আর রাতের মধ্যে যেমন পার্থক্য, যিনি শিক্ষার আলো পেয়েছেন আর যিনি পাননি তাদের মধ্যে তেমনই পার্থক্য। তবে শিক্ষার পাশাপাশি শারীরিক ফিটনেসও ঠিক রাখতে হবে কারণ ক্রীড়ায় নৈপুণ্য জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।” তিনি আজ(বুধবার)গাজীপুর সদর উপজেলাধীন রাজেন্দ্রপুরে ইকবাল সিদ্দিকী এডুকেশন সোসাইটি আয়োজিত তিনদিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও আমেরিকার শিক্ষা পদ্ধতির উদাহরণ দিয়ে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, “অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও আমেরিকার শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের বিপক্ষে মামলা করে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে। শিক্ষার্থীদের আদর্শ ও নৈতিকতা শিক্ষা দিয়ে প্রকৃত মানুষ করা শিক্ষকদের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য। যদি কোন শিক্ষার্থী কোন অনৈতিক কাজ করে থাকে তার দায়ভার শিক্ষকদের।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের সহ-সভাপতি ও গাজীপুর সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক এমএ বারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, “শিক্ষার উদ্দেশ্য হচ্ছে আলোকিত হওয়া। আদর্শ শিক্ষা লাভের মাধ্যমে তোমরা একদিন আলোকিত মানুষ হবে।”

প্রিন্সিপাল ইকবাল সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে উক্ত ক্রীড়ানুষ্ঠানে মোট ১১৯ টি ইভেন্টে কচি-কাঁচা একাডেমি,নয়নপুর এন এস আদর্শ বিদ্যালয় ও ইকবাল সিদ্দিকী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও ড্রামবেল ড্রিল উপস্থিত হাজারো দর্শকদের প্রশংসা কুড়াতে সক্ষম হয়।

ক্রীড়ায় ‘দুর্জয় হাউজ’ ও কুচকাওয়াজে ‘দিগন্ত হাউজ(বালক)’ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।